কান চুলকানি দূর করার সহজ উপায় জেনে নিন
কান চুলকানি দূর করার সহজ উপায় জেনে নিন ও এলার্জি চুলকানি দূর করার ঘরোয়া উপায়
সম্পর্কে জানতে হলে এই পোষ্টটি পড়ুন। তাহলে আপনি চুলকানি দুর করার উপায় সম্পর্কে
জানতে পারবেন।
আপনার জন্য এই পোষ্টের নিচের দিকে চুলকানি সম্পর্কে আরো কিছু পয়েন্ট যোগ করা
হয়েছে। সে পয়েন্ট গুলো আপনি যদি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত ভালো করে মনোযোগ সহকারে
পড়েন। আশা করি তাহলে আপনি চুলকানি সম্পর্কে অজানা তথ্য গুলো জানতে পারবেন।
ভুমিকা
চুলকানি
হলো এমন একটি রোগ যখন হয় তখন আঁচড়াতে ইচ্ছে করে। চুলকানির অনেকগুলি কারণ থাকতে
পারে, যেমন শুষ্ক ত্বক, এলার্জি, পোকামাকড়ের কামড়, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া,
কিডনি বা লিভারের রোগ, মানসিক চাপ ইত্যাদি। চুলকানির চিকিৎসা কারণের উপর নির্ভর
করে। কিছু সাধারণ উপায় হলো মলম বা ক্রিম লাগানো,
আরও পড়ুনঃ
পুরুষাঙ্গের চুলকানি দুর করার উপায় গুলো
অ্যান্টিহিস্টামিন ওষুধ খাওয়া, ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করা, চুলকানির কারণ হতে পারে
এমন জিনিস থেকে দূরে থাকা। যদি চুলকানি দীর্ঘদিন ধরে থাকে বা অন্যান্য লক্ষণ দেখা
যায়, তাহলে আপনি চিকিৎসকের কাছে যেতে পারেন। আপনি যদি আরো জানতে চান চুলকানি
সম্পর্কে, তাহলে আপনি এই পোষ্টের নিচের পয়েন্ট গুলো পড়ুন।
কান চুলকানি দূর করার সহজ উপায় জেনে নিন
কান চুলকানি একটি সাধারণ অসুখ যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। কান চুলকানির কারণ হতে
পারে ছত্রাক সংক্রমণ, কানের মোমের অতিরিক্ত বা অপর্যাপ্ত হওয়া, কানের শোনার
যন্ত্র বা কানের দুলের প্রতি এলার্জি, ত্বকের অবস্থা যেমন সোরাইসিস বা
ডার্মাটাইটিস, কিছু খাবারের
এলার্জি, ত্বকের শুষ্কতা বা বাইরের কানের সংক্রমণ।
কান চুলকানি দূর করার জন্য আপনি নিচের কিছু উপায় অনুসরণ করতে পারেন। কানের ময়লা
পরিষ্কার করার জন্য কটন বাড় বা তুলা ব্যবহার করবেন না। এর পরিবর্তে আপনি কানের
মোমকে আলগা করার জন্য কিছু ফোঁটা বেবি অয়েল বা কানের ড্রপ ব্যবহার করতে পারেন।
- কানের প্রতি এলার্জি থাকলে সেই পণ্যগুলি ব্যবহার করবেন না যা চুলকানি বা জ্বালা সৃষ্টি করে, যেমন কানের দুল, ব্যক্তিগত যত্নের পণ্য বা কানের শোনার যন্ত্র।
- কানের সংক্রমণ থাকলে একজন ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী অ্যান্টিবায়োটিক, মলম, সাঁতারের কানের ড্রপ বা হাইড্রোজেন পারক্সাইড ব্যবহার করতে পারেন।
- ত্বকের শুষ্কতা থাকলে আপনি কানে কিছু ফোঁটা অলিভ ওয়েল বা শিশুর তেল ব্যবহার করতে পারেন।
- ত্বকের অবস্থা যেমন সোরাইসিস বা ডার্মাটাইটিস থাকলে একজন ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে একটি সাময়িক ওষুধ ব্যবহার করা উচিত।
- সাঁতার কাটা বা স্নানের পরে আপনার কান শুকিয়ে নিন।
এছাড়াও, আপনি কিছু ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করতে পারেন যা চুলকানি কমাতে সাহায্য
করতে পারে। যেমন, আপনি কানে কিছু ফোঁটা নিমের রস, আলোভেরা জেল, নারিকেলের তেল, চা
গাছের তেল বা নিমপাতার জল দিতে পারেন। এই উপায়গুলি কানের ত্বককে আর্দ্র এবং
নিরাময় রাখতে পারে। কান চুলকানি রোগ
সেরকম কোন গুরুতর উপসর্গ নয়। যখন চুলকানি দীর্ঘ দিন ধরে হয়ে থাকে তাহলে কোন
অন্তর্নিহিত কারণের জন্য হতে পারে। তাই যদি আপনার কান চুলকানি বারবার হয় বা
অন্যান্য উপসর্গ দেখা দেয় তবে একজন ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।
আপনি প্রায় প্রতিদিন গোসল করার সময় তিন থেকে চার ফোঁটা অ্যান্টিসেপটিক লিকুইড
পানির সঙ্গে মিশিয়ে গোসল করতে পারেন। এবং কাপড়ের ইনফেকশন দুর করার জন্য কাপড়
পানিতে ধোয়ার সময় পানিতে স্যাবলন ব্যবহার করতে পারেন। এতে চুলকানির সমস্যা থেকে
মুক্তি পাওয়া যাবে
চুলকানি দূর করার সহজ উপায় জেনে নিন
চুলকানি হলো
ত্বকের
একটি অস্বস্তিকর ও বিরক্তিকর সমস্যা, যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। চুলকানি দূর
করার জন্য আপনি কিছু ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করতে পারেন। একটি সহজ উপায় হলো
চুলকানি হওয়া স্থানে ঠান্ডা পানি বা বরফ লাগানো। এটি ত্বকের জ্বালা ও স্ক্রাচ
করার তাগিদ কমাতে সাহায্য করে। আরেকটি উপায় হলো ওটমিল বা ওটস পাউডার দিয়ে গোসল
করা।
এটি ত্বকের শুষ্কতা ও চুলকানি দূর করে। আপনি ত্বকের ময়েশ্চারাইজার বা লোশন
ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু সুগন্ধি মুক্ত বা পারফিউম মুক্ত হওয়া দরকার। সুগন্ধি
যুক্ত পণ্য চুলকানি বাড়াতে পারে। আপনি মেন্থল বা কুলিং এজেন্ট যুক্ত
ময়েশ্চারাইজার বা লোশন ব্যবহার করতে পারেন। যা আপনার ত্বকে প্রশান্তি দিবে।
আরও পড়ুনঃ
পোকা দাঁতের ব্যাথা কমানোর উপায়
আরো কিছু চুলকানি দূর করার উপায় জানতে চাইলে, আপনি এই নিচের পয়েন্ট গুলো পড়েন।
এছাড়ও চুলকানি হলো একটি অস্বস্তিকর সংবেদন, যা আপনার ত্বককে স্ক্রাচ করতে চায়।
এটি সাধারণত অপরিষ্কার পরিবেশ পরিষ্কার অথবা নোংরা পরিবেশে থাকলে ঘটে থাকে।
চুলকানি দূর করার সহজ উপায় রয়েছে।
নারকেল তেল ত্বকে ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ পণ্য। যে কোন প্রকার চুলকানি,
পোকার কামড় বা অন্য কোন ধরনের কারণে ত্বকে চুলকানি হলে নারকেল তেল দিয়ে দিন। যদি
সম্পূর্ণ শরীরে চুলকানি হয় তবে পুরো শরীরে নারকেল তেল মাখতে পারেন। কুসুম গরম
পানিতে নারকেল তেল মিশিয়ে গোসল করলেও চুলকানি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।
ত্বকের চুলকানি উপশম করতে পারে। গোসলের পানিতে অল্প পরিমাণে কলোই ডাল ওটস খুব
সূক্ষ্ম ওটস পাউডার মিশিয়ে নিন। পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করা যেতে পারে। তাহলে
আপনার চুলকানি দুর হয়ে যেতে পারে। এই উপায় গুলি প্রযুক্তিগত নয়, তাই সতর্কতা
অবলম্বন করে ব্যবহার করুন। চুলকানি দূর হতে প্রাকৃতিক উপাদানের
কিছু চুলকানির ওষুধ রয়েছে যা দিয়ে খুব সহজেই চুলকানি থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এই
উপায় গুলি অনুসরণ করে আপনাকে চুলকানি দূর করতে সাহায্য করতে পারে। তবে, যদি
চুলকানি বেশি বাড়ে তাহলে একজন চিকিৎসকের সাথে আপনার যোগাযোগ করা উচিত।
এলার্জি চুলকানি দূর করার ঘরোয়া উপায়
এলার্জি চুলকানি হলো একটি সাধারণ কিন্তু বিরক্তিকর সমস্যা, যা ত্বকের লালচে,
ফুলে, কাঁচা এবং চুলকানো অবস্থা সৃষ্টি করে। এলার্জি চুলকানির কারণ হতে পারে
ধুলোবালি, ফুলের পরাগ, খাবার, ঔষধ, কোসমেটিক বা অন্যান্য বস্তু গুলির সংস্পর্শে।
এলার্জি চুলকানি দূর করার জন্য আপনি কিছু ঘরোয়া উপায় অনুসরণ করতে পারেন।
সে উপায় গুলো হলো অলিভ অয়েল তেল ত্বকের ময়েশ্চারাইজার হিসেবে কাজ করে এবং
ভিটামিন ই সমৃদ্ধ। এটি ত্বকের চুলকানি এবং প্রদাহ কমাতে সহায়তা করে। আপনি
প্রতিদিন নারকেল তেলের সাথে অলিভ অয়েল মিশিয়ে এলার্জির জায়গায় লাগাতে পারেন।
অ্যালোভেরা জেল ত্বকের এলার্জির জন্য একটি প্রাকৃতিক ওষুধ।
এটি অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং শীতলকারী বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা ত্বকের পুনরুদ্ধার
করতে এবং চুলকানি কমাতে সহায়তা করে। আপনি প্রতিদিন অ্যালোভেরা জেল এলার্জির
জায়গায় লাগাতে পারেন। অতিরিক্ত ভার্জিন জলপাই তেল ময়েশ্চারাইজার হিসেবে
আশ্চর্যজনক ভাবে কাজ করে থাকে। বেকিং সোডা ত্বকের ফুসকুড়ি দূর করতে এবং
চুলকানি কমাতে সহায়তা করে। এটি
ত্বকের
পিএইচ স্তর সমতল করে এবং অ্যান্টিসেপ্টিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। আপনি আধা চা চামচ
বেকিং সোডা কিছু জলে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করে এলার্জির জায়গায় লাগাতে
পারেন। এটি ধুয়ে ফেলার আগে কয়েক মিনিটের জন্য রেখে দিন। তাহলে আপনার এলার্জি
দুর হয়ে যাবে।
অ্যাপল সিডার ভিনেগার হলো অনেক রোগের জন্য একটি আশ্চর্যজনক নিরাময়। এতে প্রচুর
এসিটিক অ্যাসিড রয়েছে যা শক্তিশালী অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং
অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এই দুটি সমন্বিত বিভিন্ন ধরণের ত্বকের
এলার্জি জড়িত র্যাশ গুলিকে চিকিৎসা করতে পারে। আপনি এক কাপ গরম জলে এক টেবিল
চামচ অ্যাপল সিডার
ভিনেগার মিশিয়ে একটি তুলো বল দিয়ে কিছু সময় ভিজিয়ে রাখতে পারেন। আক্রান্ত
স্থানে দ্রবণটি ছড়িয়ে দিন এবং এটি শুকাতে দিন। ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরে পরিষ্কার
জল দিয়ে ধুয়ে নিন। নিমের তেলে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান রয়েছে। যা চুলকানি
হ্রাস করতে সাহায্য করে। এক মুঠো নিমের পাতা ভালো করে ধুয়ে নিন এবং পরে
পাতাগুলো পেস্ট করে আক্রান্ত স্থানে লাগান। প্রায় ৩০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন।
তাহলে আপনার এলার্জি ভালো হয়ে যাবে। এছাড়াও, আপনি নিমের পাতা পিষে আক্রান্ত
স্থানে লাগাতে পারেন। এটি এলার্জি চুলকানি থেকে পরিত্রাণ পেতে একটি কার্যকর
উপায়। স্বাস্থ্যকে ভালো রাখার জন্য এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করতে অবশ্যই পুরো
আর্টিকেলটি মন দিয়ে পড়ুন।
চুলকানির ঘরোয়া চিকিৎসা কি
চুলকানি হচ্ছে এমন এক ধরনের রোগ এই রোগটি
শরিরের
যে অংশে হয় সেখানে আঁচড়াতে ইচ্ছে করে। বিভিন্ন এলার্জির কারণে চুলকানি হয়ে
থাকে। দেহের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সাথে ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া অথবা দেহের
স্বাস্থ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন কারণে চুলকানি হয়ে থাকে। একজন মানুষের শরিরে
চুলকানি বিভিন্ন ধরণের হতে পারে।
এলার্জি হলে খুব সহজেয় বোঝা যায় শরিরে এলার্জি হলে এলার্জির জায়গাতে অনেক সময়
ধরে চুলকায় এবং জলে। খুব সাধারণ কারণগুলি গুলি হলো ফুসকুড়ি, আমবাত, ছত্রাক
সংক্রমণে এবং কোন পোকার কামড়। যাদের দেহের ত্বক শুষ্ক, তাদের চুলকানি বেশি হয়।
এর কিছু চাক্ষুষ লক্ষণ আছে, যেমন জায়গাটি লাল হয়ে যাওয়া,
প্রদাহ, ফুলে যাওয়া এবং ফোসকা পড়া। চুলকানি সাধারণত কোন গুরুতর উপসর্গ নয়
কিন্তু যদি দীর্ঘ দিন ধরে হতে থাকে তাহলে কয়েকটি গুরুতর অসুখের উপসর্গ হিসাবে
চুলকানিকে দেখা যেতে পারে, যেমন, কিডনি বা লিভারের ত্রুটি। চুলকানির কারণ জানার
পর চুলকানির অনেকগুলি প্রভাবশালী চিকিৎসার কার্যক্রম রয়েছে যা আপনার জন্য
কার্যকর হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ
মেয়েদের বাচ্চা হওয়ার সময় কি কি ঝুকি থাকে
চুলকানির ঘরোয়া চিকিৎসা হলো এমন কিছু পদ্ধতি বা উপায় যা চুলকানির কারণ ও
লক্ষণকে কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। চুলকানির ঘরোয়া চিকিৎসা নির্ভর করে চুলকানির
ধরণ ও তীব্রতার উপর। কিছু সাধারণ ঘরোয়া চিকিৎসা হলো।
- চুলকানির জায়গায় ঠান্ডা কমপ্রেস বা বরফ লাগানো।
- চুলকানির জায়গায় কোন কাঁচা বা কাঁটাচে কাপড় বা অন্য কিছু লাগানো এড়িয়ে চলা।
- চুলকানির জায়গায় কোন ক্ষতিকর পদার্থ যেমন সাবান, লোশন, পারফিউম, রং বা কোন অ্যালার্জেন লাগানো এড়িয়ে চলা।
- চুলকানির জায়গায় কোন ঘরোয়া মলম যেমন আলোভেরা জেল, নিম পাতা, কালোজিরা তেল, হলুদ গুড়া, দই বা ভিনেগার লাগানো।
- চুলকানির জায়গায় আঁচড়ানো এড়িয়ে চলা।
- চুলকানির কারণ হতে পারে কোন রোগ যেমন দাদ, একজিমা, সোরাইসিস, কিডনি রোগ বা এলার্জি হলে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হবে।
চুলকানির ঘরোয়া চিকিৎসা সাধারণত সাময়িক ভাবে স্বস্তি দিতে পারে কিন্তু
চুলকানির মূল কারণ দূর করতে পারে না। তাই যদি চুলকানি দীর্ঘদিন ধরে থাকে বা
অন্য কোন লক্ষণ দেখা দেয় তাহলে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিত। তবে, চুলকানির
কারণ নির্ণয়ের পরে তার চিকিৎসা ব্যবস্থা নিচের পয়েন্ট গুলো হতে পারে।
কর্টিকোস্টেরয়েড ক্রিম ওষুধ-যুক্ত এই ক্রিম গুলির ত্বকের জন্য অনেকটা আরামদায়ক
হয়ে থাকে। এবং রোগ নিরাময় অনেক প্রভাব আছে এই ক্রিম গুলি ত্বক শুষ্ক হতে দেয়
না। তাই চুলকানি কমতে সাহায্য করে ডাক্তারবাবুর পরামর্শ ও প্রেসক্রিপশান ছাড়া
এই স্টেরয়েড-যুক্ত ক্রিম ব্যবহার করা উচিত না।
লেখকের শেষ কথা
আপনাদের সকলের কাছে যদি আমার পোষ্টটি ভালো লেগে থাকে তাহলে পোষ্টটি আপনাদের
বন্ধু-বান্ধবী সকলের মাঝে শেয়ার করে দিন। আর নিয়মিত আমার কাছে থেকে পোষ্ট
পাওয়ার জন্য আমার ওয়েবসােইটটি ফলো করে রাখুন। নিয়মিত নতুন নতুন আপডেট পেতে
ওয়েবসাইটটি ভিজিট করুন। পোষ্টটি সম্পূর্ণ পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।